১১জন নারী মিলে ৬দেশকে হারিয়ে এতো হৈচৈ

খেলা করে জিতার চেয়ে, জ্ঞানে জিতার মধ্যে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয় বেশি কারণ যারা সারা জীবন লেখাপড়া না করে খেলে পার করেছে, তারা বিশ্বমাঠে খেলে ঠিকই কিন্তু প্রতিবারই তো আর বিজয় ছিনিয়ে নিয়াসতে পারে না। হেরেহেরে হয়তো অনেক বছর পরে একবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় কিন্তু শুনলে অবাক হবেন আজ অবধি বাংলাদেশ খেলোয়াররা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে নি, তারপরও তাদের এতো সংবর্ধনা এতো কিছু। ওরা হারলেও দেশের ক্ষতি জিতলেও দেশের ক্ষতি সেটা এভাবে যে, ওরা দেশ ভিত্তিক খেলে জিতে একটা জ্ঞানপ্রিয় জনগুষ্টিকে পিছিয়ে দিতে চাই কারণ তাদের খেলা দেখে অনেকে খেলোয়ার হতে চাই। এটাই সাভাবিক। 

আর জ্ঞানের বিজয় মেধাবীদের মেধাকে জ্ঞানের দিকে প্রমোট করে,—— এটা যেমন সত্য তেমনি এটাও সত্য; যে, খেলার বিজয় অলসদেরকে মূর্খের দিকে প্রমোট করে। বাংলাদেশের একজন হাফেজ ছেলে যে বারই বিশ্বপ্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেছে সে বারই বিজয় ছিনিয়ে এনেছে, তারা এতোই মেধাবী যে কোনো বার হারে নাই, হেরে যাবার শব্দটা তাদের ডিকশোনারিতে নেই।

 এখন যারা স্বার্থান্বেষী, তারা চাই জাতিকে এ ধরনের ফুটবল ক্রিকেট ভলিবল খেলতামাশায় মত্ত করে রাখতে পারলে নিজের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়ু করতে সহজ হবে যেমনটি ফেরাউনও করেছিলো। আমার মনে হয় বাংলাদেশের অধিকাংশ সবাই না, নেতা বলেন কিংবা সাংবাদিক বলেন এরা দেশের কল্যাণে কাজ করছে না, করলে অবশ্যই বিশ্বজয়ী হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরিমকে সেলিব্রিট করতো।

মেধাবীরাই বলতে পারবে, বুঝতে পারবে সত্যিকারের দেশপ্রেম জগতে কারা এগিয়ে। কারা খেলতামাশায় মত্ত জনগুষ্টিকে লেখাপড়ার দিকে নিয়ে যেতে চাই, তা দেখিয়ে দিলো আমাদের প্রিয় ছোট্টভাই সালেহ আহামাদ তাকরিম।

১১জন নারী মিলে ৬দেশকে হারিয়ে এতো হৈচৈ। আর এই ছোট্ট পিচ্চি ছেলে একাই একশরও বেশি দেশকে পরাজিত করে নিজের মাতৃভূমিকে বিশ্বমিডিয়ায় সমুজ্জল করেছে আলহামদুলিল্লাহ। তার জন্য শুভকামনা। তার এই বিজয় আমাদেরকে তার প্রতি ও দেশের প্রতি ভালোবাসার পিদিমের আলো আরও উজ্জল করেছে ।

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin
Share on email